সেমিনারে ডেঙ্গু জ্বরের কারণ, সংক্রমণের ঝুঁকি, প্রতিরোধের উপায় এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে করণীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র, পানির ট্যাংকসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরীক্ষা করে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। কারণ, জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।
সেমিনারে ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা কিংবা ডেঙ্গুর সন্দেহজনক লক্ষণ দেখা দিলে নিজে নিজে ওষুধ সেবন না করে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথি হিসেবে গাজীপুর-০৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর উপস্থিতিতে আয়োজিত এ সেমিনার ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির একটি উদ্যোগ হিসেবে গুরুত্ব বহন করে। এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি, প্রতিরোধের উপায় এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষার বিষয়ে আরও সচেতন করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর করলেই হবে না; বরং রোগের বিস্তার ঠেকাতে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি, পরিবার, স্বাস্থ্যসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এ সেমিনারের মূল উদ্দেশ্য ছিল ডেঙ্গু সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করা এবং সুস্থ-সচেতন সমাজ গঠনে সবাইকে উৎসাহিত করা।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সেমিনারে ডেঙ্গু জ্বরের কারণ, সংক্রমণের ঝুঁকি, প্রতিরোধের উপায় এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে করণীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র, পানির ট্যাংকসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরীক্ষা করে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। কারণ, জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।
সেমিনারে ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা কিংবা ডেঙ্গুর সন্দেহজনক লক্ষণ দেখা দিলে নিজে নিজে ওষুধ সেবন না করে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথি হিসেবে গাজীপুর-০৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর উপস্থিতিতে আয়োজিত এ সেমিনার ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির একটি উদ্যোগ হিসেবে গুরুত্ব বহন করে। এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি, প্রতিরোধের উপায় এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষার বিষয়ে আরও সচেতন করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর করলেই হবে না; বরং রোগের বিস্তার ঠেকাতে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি, পরিবার, স্বাস্থ্যসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এ সেমিনারের মূল উদ্দেশ্য ছিল ডেঙ্গু সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করা এবং সুস্থ-সচেতন সমাজ গঠনে সবাইকে উৎসাহিত করা।

মতামত