পহেলা নভেম্বর ২০২৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের দুবলার চরে সামুদ্রিক শুঁটকি আহরণ, বাছাই ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মূল মৌসুম। আগামী পাঁচ মাসের জন্য এই চরে অবস্থান নিয়ে শুঁটকি উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করবেন উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার জেলে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পহেলা নভেম্বর থেকে শুঁটকি আহরণের আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হলেও জেলেরা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে আগেভাগেই চরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরের আওতাধীন আলোরকোল, নারিকেলবাড়িয়া, মাঝেরকিল্লা, শ্যালার চর ও মেহের আলীর চরে অস্থায়ী বসতি ও শুঁটকি শুকানোর চাতাল বা মাচা তৈরির কাজ শুরু হবে। আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই শুঁটকি উৎপাদন প্রক্রিয়া চলবে।
দুবলার চরের শুঁটকি পল্লীকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয় করে বন বিভাগ। এবারও বন বিভাগের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জেলেদের জন্য জারি করা হয়েছে কঠোর নির্দেশনা। নিয়ম অনুযায়ী, অস্থায়ী ঘর কিংবা মাচা তৈরির জন্য সুন্দরবনের কোনো গাছপালা, লতাপাতা বা গোলপাতা কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ঘর তৈরির যাবতীয় সামগ্রী জেলেদের নিজ দায়িত্বে বাইরে থেকে নিয়ে যেতে হচ্ছে।
জেলে ও জেল মহাজনরা জানান, লোহা চ্যাঁপা, লইট্যা, ছুরি, চিংড়ি, রূপচাঁদা, পোয়া, মেদসহ বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ আহরণ করে তা প্রাকৃতিকভাবে রোদে শুকিয়ে এখানে শুঁটকি প্রস্তুত করা হয়। এই শুঁটকি দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করা হয়ে থাকে।
চাঁদপাই রেঞ্জ সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) দীপন চন্দ্র দাস জানিয়েছেন, জেলেরা যাতে নির্বিঘ্নে এবং নিরাপদে শুঁটকি উৎপাদন করতে পারেন, সেজন্য বন রক্ষীদের টহল বাড়ানো হয়েছে। একই সাথে কোনো জেলে যেন নিষিদ্ধ বনাঞ্চলে প্রবেশ না করেন বা বন্যপ্রাণীর ক্ষতি না করেন, সেদিকেও কড়া নজরদারি রাখা হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
পহেলা নভেম্বর ২০২৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের দুবলার চরে সামুদ্রিক শুঁটকি আহরণ, বাছাই ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মূল মৌসুম। আগামী পাঁচ মাসের জন্য এই চরে অবস্থান নিয়ে শুঁটকি উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করবেন উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার জেলে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পহেলা নভেম্বর থেকে শুঁটকি আহরণের আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হলেও জেলেরা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে আগেভাগেই চরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরের আওতাধীন আলোরকোল, নারিকেলবাড়িয়া, মাঝেরকিল্লা, শ্যালার চর ও মেহের আলীর চরে অস্থায়ী বসতি ও শুঁটকি শুকানোর চাতাল বা মাচা তৈরির কাজ শুরু হবে। আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই শুঁটকি উৎপাদন প্রক্রিয়া চলবে।
দুবলার চরের শুঁটকি পল্লীকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয় করে বন বিভাগ। এবারও বন বিভাগের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জেলেদের জন্য জারি করা হয়েছে কঠোর নির্দেশনা। নিয়ম অনুযায়ী, অস্থায়ী ঘর কিংবা মাচা তৈরির জন্য সুন্দরবনের কোনো গাছপালা, লতাপাতা বা গোলপাতা কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ঘর তৈরির যাবতীয় সামগ্রী জেলেদের নিজ দায়িত্বে বাইরে থেকে নিয়ে যেতে হচ্ছে।
জেলে ও জেল মহাজনরা জানান, লোহা চ্যাঁপা, লইট্যা, ছুরি, চিংড়ি, রূপচাঁদা, পোয়া, মেদসহ বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ আহরণ করে তা প্রাকৃতিকভাবে রোদে শুকিয়ে এখানে শুঁটকি প্রস্তুত করা হয়। এই শুঁটকি দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করা হয়ে থাকে।
চাঁদপাই রেঞ্জ সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) দীপন চন্দ্র দাস জানিয়েছেন, জেলেরা যাতে নির্বিঘ্নে এবং নিরাপদে শুঁটকি উৎপাদন করতে পারেন, সেজন্য বন রক্ষীদের টহল বাড়ানো হয়েছে। একই সাথে কোনো জেলে যেন নিষিদ্ধ বনাঞ্চলে প্রবেশ না করেন বা বন্যপ্রাণীর ক্ষতি না করেন, সেদিকেও কড়া নজরদারি রাখা হবে।

মতামত