বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, সংবিধান সংস্কার না করে সরকার একের পর এক নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে যাচ্ছে। আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতেও তারা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে দলীয়করণের ষড়যন্ত্র করছে। তারা নির্বাচন কমিশন সংস্কার করতে চাচ্ছে না। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নেও গড়িমসি করছে; কারণ, তারা মাগুরা, শেরপুর ও বগুড়ার নির্বাচন আবারও ফিরিয়ে আনতে চায়।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ১১ দলীয় ঐক্য জোটের লং মার্চ উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্র-জনতা, আবালবৃদ্ধবনিতা, ব্যবসায়ী, খেটে খাওয়া মানুষ ও দিনমজুর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু ৭০ শতাংশ মানুষের সেই ম্যান্ডেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যারা আজ পুরোনো ফ্যাসিবাদী কাঠামোতে দেশ পরিচালনা করে দেশকে অকার্যকর করার চক্রান্ত করছে, তাদের বিরুদ্ধে আজ জনগণ ফুঁসে উঠেছে। বিএনপি হচ্ছে মুনাফিকের দল; তারা জন্মগতভাবেই জাতি, রাষ্ট্র ও জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বারবার বলেছিলাম, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন যদি একসাথে হয়, তবে বিএনপি জুলাই সনদের সাথে গাদ্দারি করবে। আজ তারা সেই গাদ্দার হিসেবেই চিহ্নিত হয়েছে।”
দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে তিনি বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। আমাদের দেশে তিস্তা প্রকল্প ও করিডোর নিয়ে আবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। গোপন আঁতাতের মাধ্যমে কলাকৌশলে আধিপত্যবাদের হাতে নানা ধরনের প্রজেক্ট তুলে দেওয়া হচ্ছে।”
ক্যাম্পাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিগত ১৭ বছর যাদের কোনো খোঁজ ছিল না, তারা এখন অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ফ্যাসিবাদের দোসরদের নিজেদের দলে ভিড়িয়ে ক্ষমতা জাহির করছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বহির্গতদের এনে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসের রাজনীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।”
শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফির সঞ্চালনায় সভায় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, সংবিধান সংস্কার না করে সরকার একের পর এক নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে যাচ্ছে। আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতেও তারা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে দলীয়করণের ষড়যন্ত্র করছে। তারা নির্বাচন কমিশন সংস্কার করতে চাচ্ছে না। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নেও গড়িমসি করছে; কারণ, তারা মাগুরা, শেরপুর ও বগুড়ার নির্বাচন আবারও ফিরিয়ে আনতে চায়।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ১১ দলীয় ঐক্য জোটের লং মার্চ উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্র-জনতা, আবালবৃদ্ধবনিতা, ব্যবসায়ী, খেটে খাওয়া মানুষ ও দিনমজুর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু ৭০ শতাংশ মানুষের সেই ম্যান্ডেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যারা আজ পুরোনো ফ্যাসিবাদী কাঠামোতে দেশ পরিচালনা করে দেশকে অকার্যকর করার চক্রান্ত করছে, তাদের বিরুদ্ধে আজ জনগণ ফুঁসে উঠেছে। বিএনপি হচ্ছে মুনাফিকের দল; তারা জন্মগতভাবেই জাতি, রাষ্ট্র ও জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বারবার বলেছিলাম, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন যদি একসাথে হয়, তবে বিএনপি জুলাই সনদের সাথে গাদ্দারি করবে। আজ তারা সেই গাদ্দার হিসেবেই চিহ্নিত হয়েছে।”
দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে তিনি বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। আমাদের দেশে তিস্তা প্রকল্প ও করিডোর নিয়ে আবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। গোপন আঁতাতের মাধ্যমে কলাকৌশলে আধিপত্যবাদের হাতে নানা ধরনের প্রজেক্ট তুলে দেওয়া হচ্ছে।”
ক্যাম্পাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিগত ১৭ বছর যাদের কোনো খোঁজ ছিল না, তারা এখন অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ফ্যাসিবাদের দোসরদের নিজেদের দলে ভিড়িয়ে ক্ষমতা জাহির করছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বহির্গতদের এনে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসের রাজনীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।”
শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফির সঞ্চালনায় সভায় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতামত