বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশ, মাটি ও মানুষকে ভালোবেসে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার গণরায় অবমাননা করে জাতির সঙ্গে অন্তহীন প্রতারণা করেছে। জামায়াত কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না এবং আধিপত্যবাদের সামনে কোনো দিন আত্মসমর্পণ করবে না।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ১১ দলীয় জোটের অনুষ্ঠিত ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লং মার্চে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “যে লড়াইয়ে আমরা নেমেছি, মহান আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি- কোনো অন্যায়ের কাছে আমরা মাথা নত করব না। যাদের নেতৃবৃন্দ হাসতে হাসতে ফাঁসির মঞ্চে ওঠার সাহস রাখে, তাদেরকে রক্তচক্ষু দেখিয়ে লাভ হবে না। মাথা সোজা করেই এ জাতি দাঁড়াবে ইনশাআল্লাহ।”
শিক্ষাঙ্গনগুলোর পরিবেশ প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, অতীতের ‘গণরুম’ ও ‘গেস্ট রুম’ কালচারের অপসংস্কৃতি দূর করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র নয়, কলম তুলে দেয় বলেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রশিবিরকে ভালোবাসে।
তিনি আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে দেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ছাত্রশিবির প্রমাণ করেছে তারা মেধা ও প্রজ্ঞার চর্চায় বিশ্বাসী। সেখানে গণরুম ও অপসংস্কৃতিকে শিক্ষার্থীরা ঝাড়ুপিটা করে বিদায় দিয়েছে। এখন শিক্ষার্থীরা মেধার ভিত্তিতে নিরাপদে ও সম্মানের সাথে হলে থেকে পড়াশোনা করতে পারছে।
তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা কুশিক্ষা নয়, সুশিক্ষা চাই। যে শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের সন্তানদের এক ঘণ্টাও বেকার থাকতে হবে না, বরং তারা দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে পারবে।”
জনগণের অধিকার ও গণরায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে অতীতেও কেউ পার পায়নি, ইতিহাস তার সাক্ষী। এ সময় তিনি সরকারের অসংগতি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে লংমার্চ শুরু হয়। ঢাকা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ও যশোর জেলা পরিক্রমা শেষে কুষ্টিয়ায় এসে লংমার্চটির যাত্রা শেষ হয়।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশ, মাটি ও মানুষকে ভালোবেসে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার গণরায় অবমাননা করে জাতির সঙ্গে অন্তহীন প্রতারণা করেছে। জামায়াত কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না এবং আধিপত্যবাদের সামনে কোনো দিন আত্মসমর্পণ করবে না।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ১১ দলীয় জোটের অনুষ্ঠিত ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লং মার্চে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “যে লড়াইয়ে আমরা নেমেছি, মহান আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি- কোনো অন্যায়ের কাছে আমরা মাথা নত করব না। যাদের নেতৃবৃন্দ হাসতে হাসতে ফাঁসির মঞ্চে ওঠার সাহস রাখে, তাদেরকে রক্তচক্ষু দেখিয়ে লাভ হবে না। মাথা সোজা করেই এ জাতি দাঁড়াবে ইনশাআল্লাহ।”
শিক্ষাঙ্গনগুলোর পরিবেশ প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, অতীতের ‘গণরুম’ ও ‘গেস্ট রুম’ কালচারের অপসংস্কৃতি দূর করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র নয়, কলম তুলে দেয় বলেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রশিবিরকে ভালোবাসে।
তিনি আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে দেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ছাত্রশিবির প্রমাণ করেছে তারা মেধা ও প্রজ্ঞার চর্চায় বিশ্বাসী। সেখানে গণরুম ও অপসংস্কৃতিকে শিক্ষার্থীরা ঝাড়ুপিটা করে বিদায় দিয়েছে। এখন শিক্ষার্থীরা মেধার ভিত্তিতে নিরাপদে ও সম্মানের সাথে হলে থেকে পড়াশোনা করতে পারছে।
তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা কুশিক্ষা নয়, সুশিক্ষা চাই। যে শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের সন্তানদের এক ঘণ্টাও বেকার থাকতে হবে না, বরং তারা দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে পারবে।”
জনগণের অধিকার ও গণরায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে অতীতেও কেউ পার পায়নি, ইতিহাস তার সাক্ষী। এ সময় তিনি সরকারের অসংগতি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে লংমার্চ শুরু হয়। ঢাকা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ও যশোর জেলা পরিক্রমা শেষে কুষ্টিয়ায় এসে লংমার্চটির যাত্রা শেষ হয়।

মতামত