ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে (ইবি) 'গ্রিন ক্যাম্পাস' হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী মানিক রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ফাঁকা স্থানে পর্যায়ক্রমে ২০০টি বাগানবিলাস (Bougainvillea) গাছ রোপণের পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।
রবিবার (৮ নভেম্বর) প্রথম ধাপে ক্যাম্পাসে ৬০টি বাগানবিলাস গাছের চারা রোপণ করে এ কর্মসূচি শুরু করা হয়। মানিক রহমান জানান, শিগ্গিরই বাকি ১৪০টি গাছের চারা পর্যায়ক্রমে রোপণ করা হবে। সৌন্দর্যবর্ধনমূলক এ কর্মসূচিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল।
উদ্যোগটির বিষয়ে মানিক রহমান বলেন, "ক্যাম্পাসের পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত করতে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়াতে ফলজ গাছের পাশাপাশি ফুলগাছের ব্যাপক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পরিবেশ পরিষ্কার ও সবুজ থাকলে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও পড়াশোনার পরিবেশও উন্নত হয়। আশা করি, এ গাছগুলো বছরের পর বছর ধরে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৌন্দর্য উপহার দেবে।"
ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য ধরে রাখতে তিনি চারাগুলোর সঠিক পরিচর্যা এবং অযথা ডালপালা না ভাঙার জন্য শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য, এর আগে এই শিক্ষার্থী মানিক ক্যাম্পাস থেকেই বীজ সংগ্রহ করে ১ হাজার রক্তকাঞ্চন গাছ (জার্মানির ল্যাভেন্ডার প্রজাতি) রোপণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে (ইবি) 'গ্রিন ক্যাম্পাস' হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী মানিক রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ফাঁকা স্থানে পর্যায়ক্রমে ২০০টি বাগানবিলাস (Bougainvillea) গাছ রোপণের পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।
রবিবার (৮ নভেম্বর) প্রথম ধাপে ক্যাম্পাসে ৬০টি বাগানবিলাস গাছের চারা রোপণ করে এ কর্মসূচি শুরু করা হয়। মানিক রহমান জানান, শিগ্গিরই বাকি ১৪০টি গাছের চারা পর্যায়ক্রমে রোপণ করা হবে। সৌন্দর্যবর্ধনমূলক এ কর্মসূচিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল।
উদ্যোগটির বিষয়ে মানিক রহমান বলেন, "ক্যাম্পাসের পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত করতে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়াতে ফলজ গাছের পাশাপাশি ফুলগাছের ব্যাপক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পরিবেশ পরিষ্কার ও সবুজ থাকলে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও পড়াশোনার পরিবেশও উন্নত হয়। আশা করি, এ গাছগুলো বছরের পর বছর ধরে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৌন্দর্য উপহার দেবে।"
ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য ধরে রাখতে তিনি চারাগুলোর সঠিক পরিচর্যা এবং অযথা ডালপালা না ভাঙার জন্য শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য, এর আগে এই শিক্ষার্থী মানিক ক্যাম্পাস থেকেই বীজ সংগ্রহ করে ১ হাজার রক্তকাঞ্চন গাছ (জার্মানির ল্যাভেন্ডার প্রজাতি) রোপণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

মতামত