যে বয়সে মায়ের আঁচল ধরে ঘুরে বেড়ানোর কথা, সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে মেতে থাকার কথা, সেই বয়সেই হাসপাতাল, ওষুধ আর অসহ্য অসুস্থতার যন্ত্রণায় দিন কাটছে পাঁচ বছরের শিশু সুমাইয়া আক্তারের। ছোট্ট বয়সেই কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার রোয়াইড় গ্রামের এই শিশুটি।
মেয়ের এমন অসহায় অবস্থা দেখে প্রতিদিন বুকফাটা কষ্টে দিন কাটছে বাবা-মায়ের। চোখের সামনে সন্তানকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে হচ্ছে, অথচ অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য নেই তাঁদের। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে নীরবে চোখের পানি ফেলছেন তাঁরা। তাঁদের একটাই ভয়—অর্থের অভাবে যদি মেয়ের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায়!
সুমাইয়ার পৃথিবীটা এখন আর অন্য শিশুদের মতো নয়। যেখানে থাকার কথা খেলনা, পুতুল আর রঙিন স্বপ্ন, সেখানে তার প্রতিদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে অসুস্থতা, চিকিৎসা আর ওষুধ। শৈশবের দুরন্তপনা যেন কিডনি রোগের কাছে বন্দি হয়ে পড়েছে।
সন্তানকে সুস্থ করে তুলতে বাবা-মা নিজেদের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চিকিৎসার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় এখন অসহায় হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
সুমাইয়ার বাবা মোঃ মামুন রশীদ এবং মা মোছাঃ রুমি খাতুন। তাঁরা একটি অত্যন্ত অসচ্ছল পরিবারের সদস্য। দিন আনে দিন খায়—একদিন কাজ না করলে সংসারে খাবার জোটানো কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে মেয়ের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তাঁদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একদিকে সন্তানের অসুস্থতা, অন্যদিকে অর্থের অভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে না পারার যন্ত্রণা—দুই দিকের চাপ সামলাতে গিয়ে দিশেহারা পরিবারটি। একজন বাবা হিসেবে মেয়েকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা থাকলেও সামর্থ্যের কাছে বারবার হার মানতে হচ্ছে মোঃ মামুন রশীদকে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। মানবিক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি সরকারি সহায়তা, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সমাজকর্মী, জনপ্রতিনিধি, দেশের বিত্তবান ব্যক্তি এবং প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতি সুমাইয়ার চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
পরিবারের স্বজনদের ভাষ্য, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও সুমাইয়ার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁরা চান, অর্থের অভাবে যেন পাঁচ বছরের নিষ্পাপ শিশুটির চিকিৎসা থেমে না যায়।
সুমাইয়াকে বাঁচাতে আপনার একটু সহায়তাই হতে পারে নতুন আশার আলো।
আসুন, আমরা যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট্ট সুমাইয়ার পাশে দাঁড়াই। হয়তো আপনার সামান্য সহযোগিতায় আবারও হাসতে পারবে শিশুটি, ফিরে পেতে পারে তার হারিয়ে যেতে বসা শৈশব। একটি শিশুর জীবন বাঁচানোর চেষ্টায় আমাদের সম্মিলিত মানবিক উদ্যোগই হতে পারে তার পরিবারের সবচেয়ে বড় ভরসা।
সাহায্য পাঠানোর ও যোগাযোগের ঠিকানা:
রোগীর নাম: মোছাঃ সুমাইয়া আক্তার
পিতা: মোঃ মামুন রশীদ
মাতা: মোছাঃ রুমি খাতুন
ঠিকানা: গ্রাম—রোয়াইড়, উপজেলা—ক্ষেতলাল, জেলা—জয়পুরহাট।
বিকাশ নম্বর: 01707130965
সুমাইয়ার চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সরাসরি তার বাবা মোঃ মামুন রশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
একটু সহানুভূতি, একটু ভালোবাসা আর সামান্য আর্থিক সহযোগিতা—হয়তো একটি পরিবারের অন্ধকার জীবনে ফিরিয়ে দিতে পারে আশার আলো। অর্থের অভাবে যেন পাঁচ বছরের একটি শিশুর চিকিৎসার পথ বন্ধ হয়ে না যায়।

সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
যে বয়সে মায়ের আঁচল ধরে ঘুরে বেড়ানোর কথা, সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে মেতে থাকার কথা, সেই বয়সেই হাসপাতাল, ওষুধ আর অসহ্য অসুস্থতার যন্ত্রণায় দিন কাটছে পাঁচ বছরের শিশু সুমাইয়া আক্তারের। ছোট্ট বয়সেই কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার রোয়াইড় গ্রামের এই শিশুটি।
মেয়ের এমন অসহায় অবস্থা দেখে প্রতিদিন বুকফাটা কষ্টে দিন কাটছে বাবা-মায়ের। চোখের সামনে সন্তানকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে হচ্ছে, অথচ অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য নেই তাঁদের। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে নীরবে চোখের পানি ফেলছেন তাঁরা। তাঁদের একটাই ভয়—অর্থের অভাবে যদি মেয়ের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায়!
সুমাইয়ার পৃথিবীটা এখন আর অন্য শিশুদের মতো নয়। যেখানে থাকার কথা খেলনা, পুতুল আর রঙিন স্বপ্ন, সেখানে তার প্রতিদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে অসুস্থতা, চিকিৎসা আর ওষুধ। শৈশবের দুরন্তপনা যেন কিডনি রোগের কাছে বন্দি হয়ে পড়েছে।
সন্তানকে সুস্থ করে তুলতে বাবা-মা নিজেদের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চিকিৎসার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় এখন অসহায় হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
সুমাইয়ার বাবা মোঃ মামুন রশীদ এবং মা মোছাঃ রুমি খাতুন। তাঁরা একটি অত্যন্ত অসচ্ছল পরিবারের সদস্য। দিন আনে দিন খায়—একদিন কাজ না করলে সংসারে খাবার জোটানো কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে মেয়ের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তাঁদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একদিকে সন্তানের অসুস্থতা, অন্যদিকে অর্থের অভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে না পারার যন্ত্রণা—দুই দিকের চাপ সামলাতে গিয়ে দিশেহারা পরিবারটি। একজন বাবা হিসেবে মেয়েকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা থাকলেও সামর্থ্যের কাছে বারবার হার মানতে হচ্ছে মোঃ মামুন রশীদকে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। মানবিক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি সরকারি সহায়তা, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সমাজকর্মী, জনপ্রতিনিধি, দেশের বিত্তবান ব্যক্তি এবং প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতি সুমাইয়ার চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
পরিবারের স্বজনদের ভাষ্য, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও সুমাইয়ার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁরা চান, অর্থের অভাবে যেন পাঁচ বছরের নিষ্পাপ শিশুটির চিকিৎসা থেমে না যায়।
সুমাইয়াকে বাঁচাতে আপনার একটু সহায়তাই হতে পারে নতুন আশার আলো।
আসুন, আমরা যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট্ট সুমাইয়ার পাশে দাঁড়াই। হয়তো আপনার সামান্য সহযোগিতায় আবারও হাসতে পারবে শিশুটি, ফিরে পেতে পারে তার হারিয়ে যেতে বসা শৈশব। একটি শিশুর জীবন বাঁচানোর চেষ্টায় আমাদের সম্মিলিত মানবিক উদ্যোগই হতে পারে তার পরিবারের সবচেয়ে বড় ভরসা।
সাহায্য পাঠানোর ও যোগাযোগের ঠিকানা:
রোগীর নাম: মোছাঃ সুমাইয়া আক্তার
পিতা: মোঃ মামুন রশীদ
মাতা: মোছাঃ রুমি খাতুন
ঠিকানা: গ্রাম—রোয়াইড়, উপজেলা—ক্ষেতলাল, জেলা—জয়পুরহাট।
বিকাশ নম্বর: 01707130965
সুমাইয়ার চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সরাসরি তার বাবা মোঃ মামুন রশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
একটু সহানুভূতি, একটু ভালোবাসা আর সামান্য আর্থিক সহযোগিতা—হয়তো একটি পরিবারের অন্ধকার জীবনে ফিরিয়ে দিতে পারে আশার আলো। অর্থের অভাবে যেন পাঁচ বছরের একটি শিশুর চিকিৎসার পথ বন্ধ হয়ে না যায়।

মতামত