ঢাকা    সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

জাতীয়

জয়পুরহাটে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান নিয়ে ছাত্রদলের ক্ষোভ, জেলা প্রশাসককে অপসারণে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

জয়পুরহাটে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান নিয়ে ছাত্রদলের ক্ষোভ, জেলা প্রশাসককে অপসারণে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

মোঃ সুমন মন্ডল, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানকে ঘিরে জয়পুরহাটে সৃষ্ট বিতর্ক এবার নতুন মোড় নিয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি ব্যানারে না রাখা এবং এক বক্তার বক্তব্যের সময় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আপত্তি তুলে জেলা প্রশাসকের অপসারণ দাবি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জয়পুরহাট জেলা শাখা।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলামের ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসককে অপসারণের জন্য ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় দাবি আদায়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

ছাত্রদলের প্রকাশিত বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভার মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ছবি রাখা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে অনুষ্ঠানে আপত্তি ও অসন্তোষ দেখা দিলেও পরবর্তী সময়ে এক বক্তার বক্তব্যের সময় জেলা প্রশাসকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ওই বক্তা শেখ মুজিবুর রহমানকে বারবার ‘জাতির পিতা’ হিসেবে সম্বোধন করলেও জেলা প্রশাসক নীরব ছিলেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জেলা প্রশাসককে অপসারণের দাবি বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে।

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ও সাধারণ সম্পাদক কে এম শাকিল হোসেনের নির্দেশনায় প্রকাশিত বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলাম। মুঠোফোনে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (৭ নভেম্বর) জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় উপস্থিত কয়েকজনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় এবং হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। পরে ব্যানারে তাঁর ছবি সংযোজনের পর অনুষ্ঠান শুরু হলেও এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয়বার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রকাশের আগে: জেলা ছাত্রদলের ৭২ ঘণ্টার দাবির সময়সীমা এবং জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিলে প্রতিবেদনটি আরও গ্রহণযোগ্য হবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

দেশ চিত্র মিডিয়া

সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬


জয়পুরহাটে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান নিয়ে ছাত্রদলের ক্ষোভ, জেলা প্রশাসককে অপসারণে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

মোঃ সুমন মন্ডল, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:


ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানকে ঘিরে জয়পুরহাটে সৃষ্ট বিতর্ক এবার নতুন মোড় নিয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি ব্যানারে না রাখা এবং এক বক্তার বক্তব্যের সময় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আপত্তি তুলে জেলা প্রশাসকের অপসারণ দাবি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জয়পুরহাট জেলা শাখা।


শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলামের ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসককে অপসারণের জন্য ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় দাবি আদায়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।


ছাত্রদলের প্রকাশিত বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভার মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ছবি রাখা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে অনুষ্ঠানে আপত্তি ও অসন্তোষ দেখা দিলেও পরবর্তী সময়ে এক বক্তার বক্তব্যের সময় জেলা প্রশাসকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ওই বক্তা শেখ মুজিবুর রহমানকে বারবার ‘জাতির পিতা’ হিসেবে সম্বোধন করলেও জেলা প্রশাসক নীরব ছিলেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।


এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জেলা প্রশাসককে অপসারণের দাবি বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে।


জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ও সাধারণ সম্পাদক কে এম শাকিল হোসেনের নির্দেশনায় প্রকাশিত বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলাম। মুঠোফোনে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


উল্লেখ্য, শনিবার (৭ নভেম্বর) জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় উপস্থিত কয়েকজনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় এবং হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। পরে ব্যানারে তাঁর ছবি সংযোজনের পর অনুষ্ঠান শুরু হলেও এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয়বার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।


এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।


প্রকাশের আগে: জেলা ছাত্রদলের ৭২ ঘণ্টার দাবির সময়সীমা এবং জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিলে প্রতিবেদনটি আরও গ্রহণযোগ্য হবে।



দেশ চিত্র মিডিয়া

প্রধান সম্পাদক ইকরাম হোসেন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সয়েবুল ইসলাম বার্তা সম্পাদক আরাফাত হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দেশ চিত্র মিডিয়া । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
জয়পুরহাটে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান নিয়ে ছাত্রদলের ক্ষোভ, জেলা প্রশাসককে অপসারণে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
0:00 0:00
1.0x