বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী মোড়ে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে মোংলা বন্দর থেকে সড়কপথে বাগেরহাট সদরে হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে তিনি এ পথসভায় অংশ নেন। এ সময় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে কাটাখালী মোড়সহ আশপাশের মহাসড়ক।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কাটাখালী মোড় ও আশপাশের এলাকায় বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে স্থানীয় বাসিন্দারাও সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানের মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানান।
মোংলা বন্দরে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে সড়কপথে বাগেরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। পথে কাটাখালী মোড়ে পৌঁছালে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিগত সরকার এক যুগের বেশি সময় ধরে দেশ শাসন করে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তারা বিদেশে অর্থ পাচার করেছে এবং দেশে গুম-খুনের রাজনীতি চালু করেছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে মিল-কলকারখানা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অথচ পরবর্তী সময়ে দেশের শিল্পকারখানাগুলো ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের মতো আবারও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল এবং জনগণের কল্যাণে কাজ শুরু করেছে। সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, তরুণদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। এমন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে চিকিৎসার জন্য দেশের মানুষকে বিদেশে যেতে না হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মালিক জনগণ। জনগণের অধিকার ও ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। আমাদের লক্ষ্য একটাই—‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে মোংলা বন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এ ছাড়া মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
কাটাখালীর পথসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী বাগেরহাট সদরে অবস্থিত হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পরে তাঁর খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কর্মসূচি ছিল।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে বাগেরহাটের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিশেষ করে মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী মোড়ে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে মোংলা বন্দর থেকে সড়কপথে বাগেরহাট সদরে হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে তিনি এ পথসভায় অংশ নেন। এ সময় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে কাটাখালী মোড়সহ আশপাশের মহাসড়ক।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কাটাখালী মোড় ও আশপাশের এলাকায় বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে স্থানীয় বাসিন্দারাও সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানের মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানান।
মোংলা বন্দরে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে সড়কপথে বাগেরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। পথে কাটাখালী মোড়ে পৌঁছালে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিগত সরকার এক যুগের বেশি সময় ধরে দেশ শাসন করে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তারা বিদেশে অর্থ পাচার করেছে এবং দেশে গুম-খুনের রাজনীতি চালু করেছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে মিল-কলকারখানা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অথচ পরবর্তী সময়ে দেশের শিল্পকারখানাগুলো ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের মতো আবারও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল এবং জনগণের কল্যাণে কাজ শুরু করেছে। সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, তরুণদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। এমন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে চিকিৎসার জন্য দেশের মানুষকে বিদেশে যেতে না হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মালিক জনগণ। জনগণের অধিকার ও ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। আমাদের লক্ষ্য একটাই—‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে মোংলা বন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এ ছাড়া মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
কাটাখালীর পথসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী বাগেরহাট সদরে অবস্থিত হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পরে তাঁর খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কর্মসূচি ছিল।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে বাগেরহাটের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিশেষ করে মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

মতামত