প্রিন্ট এর তারিখ : ০৯ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
নিখোজের ৫৬ ঘণ্টা পর মিলল সুন্দরবনে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ
তাইজুল ইসলাম, মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ||
সুন্দরবন ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৫৬ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহের পর্যটক রিয়াজ আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সুন্দরবনের দুবলার চরের টানার মাথা খালসংলগ্ন একটি চর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড।নিহত রিয়াজ আহমেদ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাঠালি পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজ যেখান থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন, সেখান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। দুবলার চরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে শাহজাহান মনা জানান, টানার মাথা খালের চরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা তাৎক্ষণিক বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডকে খবর দেন। পরে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।এর আগে গত ৫ নভেম্বর পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন থেকে মিজানুর রহমানের পরিচালনায় ‘ইকো ট্যুরিজম-২’ নামের একটি নৌযানে সুন্দরবন ভ্রমণে যান ১৯ জন পর্যটক। তাদের মধ্যে নরসিংদী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা-গাজীপুর এলাকার বাসিন্দারা ছিলেন।পরদিন ৬ নভেম্বর দুপুর ১টার দিকে শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরে পৌঁছানোর আগেই নৌযানটি নতুন জেগে ওঠা একটি চরে আটকে যায়। নৌযানটি ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে পর্যটকেরা পানিতে নামেন। পরে সবাই নৌযানে ফিরে এলেও যাত্রী গণনার সময় রিয়াজকে পাওয়া যায়নি। এরপরই তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।খবর পেয়ে বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় জেলেরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দুই দিনের অনুসন্ধান শেষে শনিবার রাতে দুবলার চরের অদূরে টানার মাথা খালসংলগ্ন চর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, দুই দিনের অভিযানের পর নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এদিকে রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর খবরে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, রিয়াজ ছিলেন পরিবারের বড় সন্তান এবং তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের জন্য আরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুন্দরবনে ভ্রমণের সময় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হবে। এছাড়া, স্থানীয় জেলেদেরও পর্যটকদের নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুতে তার সহকর্মী ও বন্ধুরাও শোকাহত। তারা তার স্মৃতিচারণ করে বলেন, রিয়াজ ছিলেন একজন সদালাপী ও বন্ধুবৎসল ব্যক্তি। তার অকাল প্রয়াণে তার বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত।শেখ তাইজুল ইসলাম মোংলা প্রতিনিধি:সুন্দরবন ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৫৬ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহের পর্যটক রিয়াজ আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সুন্দরবনের দুবলার চরের টানার মাথা খালসংলগ্ন একটি চর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড।নিহত রিয়াজ আহমেদ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাঠালি পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজ যেখান থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন, সেখান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। দুবলার চরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে শাহজাহান মনা জানান, টানার মাথা খালের চরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা তাৎক্ষণিক বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডকে খবর দেন। পরে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।এর আগে গত ৫ নভেম্বর পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন থেকে মিজানুর রহমানের পরিচালনায় ‘ইকো ট্যুরিজম-২’ নামের একটি নৌযানে সুন্দরবন ভ্রমণে যান ১৯ জন পর্যটক। তাদের মধ্যে নরসিংদী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা-গাজীপুর এলাকার বাসিন্দারা ছিলেন।পরদিন ৬ নভেম্বর দুপুর ১টার দিকে শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরে পৌঁছানোর আগেই নৌযানটি নতুন জেগে ওঠা একটি চরে আটকে যায়। নৌযানটি ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে পর্যটকেরা পানিতে নামেন। পরে সবাই নৌযানে ফিরে এলেও যাত্রী গণনার সময় রিয়াজকে পাওয়া যায়নি। এরপরই তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।খবর পেয়ে বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় জেলেরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দুই দিনের অনুসন্ধান শেষে শনিবার রাতে দুবলার চরের অদূরে টানার মাথা খালসংলগ্ন চর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, দুই দিনের অভিযানের পর নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এদিকে রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর খবরে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, রিয়াজ ছিলেন পরিবারের বড় সন্তান এবং তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের জন্য আরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুন্দরবনে ভ্রমণের সময় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হবে। এছাড়া, স্থানীয় জেলেদেরও পর্যটকদের নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুতে তার সহকর্মী ও বন্ধুরাও শোকাহত। তারা তার স্মৃতিচারণ করে বলেন, রিয়াজ ছিলেন একজন সদালাপী ও বন্ধুবৎসল ব্যক্তি। তার অকাল প্রয়াণে তার বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত।শেখ তাইজুল ইসলাম মোংলা প্রতিনিধি:সুন্দরবন ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৫৬ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহের পর্যটক রিয়াজ আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সুন্দরবনের দুবলার চরের টানার মাথা খালসংলগ্ন একটি চর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড।নিহত রিয়াজ আহমেদ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাঠালি পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজ যেখান থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন, সেখান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। দুবলার চরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে শাহজাহান মনা জানান, টানার মাথা খালের চরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা তাৎক্ষণিক বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডকে খবর দেন। পরে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।এর আগে গত ৫ নভেম্বর পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন থেকে মিজানুর রহমানের পরিচালনায় ‘ইকো ট্যুরিজম-২’ নামের একটি নৌযানে সুন্দরবন ভ্রমণে যান ১৯ জন পর্যটক। তাদের মধ্যে নরসিংদী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা-গাজীপুর এলাকার বাসিন্দারা ছিলেন।পরদিন ৬ নভেম্বর দুপুর ১টার দিকে শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরে পৌঁছানোর আগেই নৌযানটি নতুন জেগে ওঠা একটি চরে আটকে যায়। নৌযানটি ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে পর্যটকেরা পানিতে নামেন। পরে সবাই নৌযানে ফিরে এলেও যাত্রী গণনার সময় রিয়াজকে পাওয়া যায়নি। এরপরই তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।খবর পেয়ে বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় জেলেরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দুই দিনের অনুসন্ধান শেষে শনিবার রাতে দুবলার চরের অদূরে টানার মাথা খালসংলগ্ন চর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, দুই দিনের অভিযানের পর নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এদিকে রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর খবরে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, রিয়াজ ছিলেন পরিবারের বড় সন্তান এবং তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের জন্য আরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুন্দরবনে ভ্রমণের সময় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হবে। এছাড়া, স্থানীয় জেলেদেরও পর্যটকদের নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুতে তার সহকর্মী ও বন্ধুরাও শোকাহত। তারা তার স্মৃতিচারণ করে বলেন, রিয়াজ ছিলেন একজন সদালাপী ও বন্ধুবৎসল ব্যক্তি। তার অকাল প্রয়াণে তার বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত।
কপিরাইট © ২০২৬ দেশ চিত্র মিডিয়া । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত